খাগড়াছড়িপার্বত্য অঞ্চল

খাগড়াছড়িতে আন্তঃধর্মীয় সম্প্রীতি ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় কর্মশালা

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি:
পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সহনশীলতা ও সামাজিক সম্প্রীতি জোরদারের লক্ষ্যে খাগড়াছড়িতে “আন্তঃধর্মীয় ও আন্তঃসম্প্রদায়িক শান্তি প্রতিষ্ঠা” শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে বিভিন্ন ধর্ম, সম্প্রদায় ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশ নিয়ে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করতে সম্মিলিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

 

খাগড়াছড়িতে আন্তঃধর্মীয় সম্প্রীতি, সামাজিক সহনশীলতা এবং পারস্পরিক সহযোগিতার পরিবেশ আরও সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে “আন্তঃধর্মীয় ও আন্তঃসম্প্রদায়িক শান্তি প্রতিষ্ঠা” শীর্ষক এক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

 

রোববার (২৬ জুলাই) সকালে খাগড়াছড়ি সদর উপজেলা পরিষদ হলরুমে সিএইচটি লেপ্রসি কন্ট্রোল অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন প্রজেক্ট এবং দি লেপ্রসি মিশন ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (খাগড়াছড়ি জেলা শাখা)-এর উদ্যোগে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়।

 

 

নুনছড়ি মৌজার হেডম্যান ক্ষেত্রমোহন রোয়াজার সভাপতিত্বে আয়োজিত কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন জাতীয় মহিলা সংস্থা, খাগড়াছড়ি জেলা কার্যালয়ের কর্মকর্তা উথান চৌধুরী।

 

 

কর্মশালার সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন সিএইচটি লেপ্রসি কন্ট্রোল অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন প্রজেক্ট ও দি লেপ্রসি মিশন ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের খাগড়াছড়ি জেলা সমন্বয়কারী বীর মোহন ত্রিপুরা।

 

 

এতে বিভিন্ন ধর্মীয়, সামাজিক ও উন্নয়ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন। উপস্থিত ছিলেন যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক হাফিজা আইরিন, আলো-এর নির্বাহী পরিচালক অরুন কান্তি ত্রিপুরা, জিএস-এমসি’র নির্মল কুমার চাকমা, বিবেকাময় রোয়াজা, রতন চক্রবর্তীসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা।

 

 

বক্তারা বলেন, একটি শান্তিপূর্ণ, সম্প্রীতিময় ও বৈষম্যহীন সমাজ গঠনে সব ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সহনশীলতা এবং সহযোগিতার মনোভাব গড়ে তোলা জরুরি। সামাজিক বিভেদ দূর করে মানবিক মূল্যবোধ ও পারস্পরিক আস্থার ভিত্তিতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার ওপরও তারা গুরুত্বারোপ করেন।

 

 

মতবিনিময় পর্বে অংশগ্রহণকারীরা স্থানীয় পর্যায়ে আন্তঃধর্মীয় সংলাপ বৃদ্ধি, সামাজিক সম্প্রীতি রক্ষা এবং দীর্ঘমেয়াদি শান্তি প্রতিষ্ঠায় সম্মিলিত উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান।

Related Articles

Back to top button