খাগড়াছড়িতে আধুনিক শিশু পার্ক স্থাপনের আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি:
জাতীয় শিশু দিবসের সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে খাগড়াছড়ির শিশুদের সঙ্গে ভার্চুয়ালি মতবিনিময় করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় এক শিশু শিক্ষার্থীর দাবির পরিপ্রেক্ষিতে খাগড়াছড়িতে আধুনিক মানের একটি শিশু পার্ক স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে সুবিধাজনক সময়ে খাগড়াছড়ি সফরের কথাও জানান প্রধানমন্ত্রী।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সকালে খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এ ভার্চুয়াল মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়। এতে জেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিপুলসংখ্যক শিশু শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
খাগড়াছড়ি প্রান্ত থেকে অনুষ্ঠানে যুক্ত ছিলেন খাগড়াছড়ির সংসদ সদস্য ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক স্থায়ী কমিটির সভাপতি ওয়াদুদ ভূঁইয়া। জেলা প্রশাসক মো. আনোয়ার সাদাতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ম্রাসা থোয়াই চৌধুরী, পুলিশ সুপার মো. মোরতোজা আলী খান, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এম এন আবছারসহ সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা।
ভার্চুয়াল মতবিনিময়ে প্রধানমন্ত্রী শিশুদের কথা শোনেন এবং তাদের ভবিষ্যৎ ভাবনা, প্রত্যাশা ও বিভিন্ন সমস্যার বিষয়ে জানতে চান। এ সময় শ্রাবস্তী নামের এক শিশু শিক্ষার্থী খাগড়াছড়িতে শিশুদের বিনোদনের জন্য পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা না থাকার বিষয়টি তুলে ধরে একটি আধুনিক মানের শিশু পার্ক নির্মাণের দাবি জানায়।
পাশাপাশি পাহাড়ের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে প্রধানমন্ত্রীকে খাগড়াছড়ি সফরের আমন্ত্রণ জানায় শিশুরা।
জবাবে প্রধানমন্ত্রী খাগড়াছড়িতে আধুনিক মানের একটি শিশু পার্ক স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেন। একই সঙ্গে সুবিধাজনক সময়ে খাগড়াছড়ি সফরে আসার কথাও জানান তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর এ আশ্বাসে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে উপস্থিত শিশুদের মধ্যে আনন্দের সৃষ্টি হয়। মুহূর্তেই অনুষ্ঠানস্থলে উৎসবমুখর পরিবেশ ছড়িয়ে পড়ে।
পরে অনুষ্ঠিত স্থানীয় আলোচনা সভায় সংসদ সদস্য ওয়াদুদ ভূঁইয়া পার্বত্য অঞ্চলের শিশুদের শিক্ষা, মেধা বিকাশ ও সার্বিক উন্নয়নে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ ও প্রতিশ্রুতির কথা তুলে ধরেন।
বক্তারা বলেন, শিশুদের সঙ্গে সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর ভার্চুয়াল মতবিনিময়ের সুযোগ তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর পাশাপাশি নিজেদের প্রত্যাশা ও সমস্যার কথা তুলে ধরার গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র তৈরি করেছে। আনন্দঘন পরিবেশের মধ্য দিয়ে জাতীয় শিশু দিবসের সুবর্ণজয়ন্তীর এ বিশেষ আয়োজন শেষ হয়।




