
রামগড় (খাগড়াছড়ি) প্রতিনিধি:
ধুমধাম করে মেয়ের বিয়ের আয়োজন করেছিলেন বাবা। বাড়িতে চলছিল মেহমানদের খানাপিনা। এর মধ্যেই প্রশাসনের তৎপরতায় ভেঙে দেওয়া হলো ষষ্ঠ শ্রেণিপড়ুয়া ১৩ বছর বয়সী এক কিশোরীর বিয়ে। বাল্যবিয়ের আয়োজন করায় কনের বাবাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
রোববার (৯ আগস্ট) দুপুরে খাগড়াছড়ির রামগড় উপজেলার ২ নম্বর পাতাছড়া ইউনিয়নের থলিপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। বাল্যবিবাহ বন্ধ করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দ্বীন আল জান্নাত।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ুয়া এক কিশোরীর বিয়ে হচ্ছে—গোপন সূত্রে এমন খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় প্রশাসন। সেখানে গিয়ে বিয়ের আয়োজনের সত্যতা পাওয়ার পর তাৎক্ষণিকভাবে বিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয়।
এ সময় বাল্যবিয়ের আয়োজন করায় কনের বাবা মো. মহিন উদ্দিন মানিককে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। পাশাপাশি উভয় পক্ষের অভিভাবকদের কাছ থেকে মুচলেকা নেওয়া হয় এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের বিয়ের আয়োজন না করার জন্য সতর্ক করা হয়।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দ্বীন আল জান্নাত বলেন, “নাবালিকা মেয়েটির বাড়িতে বিয়ের অনুষ্ঠান চলছিল। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে কনের বয়স ১৩ বছর নিশ্চিত হওয়া যায়। পরে বাল্যবিবাহ নিরোধ আইনে কনের বাবাকে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।”
তিনি বলেন, সরকারি আইন অনুযায়ী ১৮ বছরের কম বয়সী মেয়ের বিয়ে দেওয়া দণ্ডনীয় অপরাধ। তাই ১৮ বছরের আগে কোনো মেয়েকে বিয়ে দেওয়া যাবে না।




