থানচিতে বন্যা ও পাহাড়ধসে ক্ষতিগ্রস্ত ১২০ পরিবারকে সহায়তা
থানচি, বান্দরবান :
বান্দরবানের থানচি উপজেলায় সাম্প্রতিক বন্যা ও পাহাড়ধসে ক্ষতিগ্রস্ত ১২০টি দরিদ্র পরিবারকে ৬ হাজার টাকা করে শর্তহীন নগদ সহায়তা দেওয়া হয়েছে। এতে মোট ৭ লাখ ২০ হাজার টাকা বিতরণ করা হয়।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকালে থানচি সদর ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে কারিতাস বাংলাদেশ, চট্টগ্রাম অঞ্চলের পিএইপি-৩ প্রকল্পের উদ্যোগে এ সহায়তা বিতরণ করা হয়। চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য জরুরি সহায়তা প্রকল্পের আওতায় এ অর্থ বিতরণ করা হয়।
কারিতাসের পিএইপি-৩ প্রকল্পের মাঠ সহায়ক মিখায়েল ত্রিপুরার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বান্দরবান জেলার কর্মসূচি কর্মকর্তা রেমন আসাম সভাপতিত্ব করেন। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন কারিতাস বাংলাদেশ চট্টগ্রাম অঞ্চলের আঞ্চলিক পরিচালক চয়ন হিউভার্ট রিবেরু।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন পিএইপি-৩ প্রকল্পের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের কর্মসূচি কর্মকর্তা ডানিয়েল ছিপু গোমেজ, থানচি প্রেস ক্লাবের সভাপতি মংবোওয়াংচিং মারমা অনুপম, সাবেক প্রধান শিক্ষক সত্য মনি ত্রিপুরা, মাঠ কর্মকর্তা ক্লেমেন্ট লিংকন গোমেস, ইউএনওর প্রতিনিধি হিসেবে ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের অফিস সহকারী সোহেল রানা ও মো. রুবেলসহ সংশ্লিষ্টরা।
প্রধান অতিথি চয়ন হিউভার্ট রিবেরু বলেন, দুর্গম ও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি ও উন্নয়ন সংস্থাগুলোর সহায়তা প্রয়োজন। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো যাতে দুর্যোগের ক্ষতি কাটিয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারে, সে জন্য সমন্বিতভাবে কাজ করা জরুরি।
অন্যান্য বক্তারা বলেন, সাম্প্রতিক বন্যা ও পাহাড়ধসে থানচির দুর্গম এলাকার অনেক পরিবার ঘরবাড়ি, কৃষিজমি ও আয়-রোজগারের ক্ষতির মুখে পড়েছে। দুর্যোগের পর ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জরুরি প্রয়োজন মেটাতে এ ধরনের সহায়তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
সহায়তা পেয়ে উপকারভোগীরা দুর্যোগের পর তাদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও সহযোগী সংস্থার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।
অনুষ্ঠানে প্রকল্পসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধি ও দেড় শতাধিক উপকারভোগী উপস্থিত ছিলেন।




