খাগড়াছড়িতে বিশ্ব শিক্ষক দিবসে ৯ গুণী শিক্ষককে সম্মাননা

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি:
শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়ন ও শিক্ষকদের পেশাগত দায়িত্ব আরও দক্ষতার সঙ্গে পালনের আহ্বানের মধ্য দিয়ে খাগড়াছড়িতে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে আলোচনা সভা ও জেলার নয়জন গুণী শিক্ষককে সম্মাননা দেওয়া হয়েছে।
সোমবার সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে জেলা শিক্ষা অফিসের উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক মো. আনোয়ার সাদাত। উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) হাসান মারুফ, খাগড়াছড়ি সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ পুলক বরণ চাকমা, শিক্ষা বিভাগের কর্মকর্তা ও জেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, একটি জেলার সামগ্রিক অগ্রগতি ও উন্নয়নের অন্যতম ভিত্তি মানসম্মত শিক্ষা। শিক্ষার্থীদের পাঠ্যবইনির্ভর জ্ঞানের পাশাপাশি নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও সৃজনশীলতা বিকাশেও শিক্ষকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তাই শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষকদের আরও আন্তরিক, দায়িত্বশীল ও দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে।
এ বছর প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জনকারী মোট নয়জন শিক্ষককে গুণী শিক্ষক হিসেবে সম্মাননা দেওয়া হয়। অতিথিরা তাঁদের হাতে সম্মাননা তুলে দেন।
প্রাথমিক পর্যায়ে নির্বাচিতরা হলেন—টিএন্ডটি গেইট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রূপা মল্লিক রুপু, খাগড়াপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আশা প্রিয় ত্রিপুরা এবং রামগড় বালিকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নাসিমা বেগম।
মাধ্যমিক পর্যায়ে নির্বাচিত হয়েছেন নতুন কুড়ি ক্যান্টনমেন্ট হাই স্কুলের মো. সাইফুল ইসলাম এবং খাগড়াছড়ি সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক চম্পানন চাকমা।
উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে নির্বাচিত হয়েছেন মেহেরুন্নেছা বেগম মিলি, দীঘিনালা রাশিক নগর দাখিল মাদ্রাসার মো. আশিকুর রহমান এবং খাগড়াছড়ি সরকারি মহিলা কলেজের মো. জহিরুল ইসলাম।
বক্তারা বলেন, গুণী শিক্ষকদের স্বীকৃতি তাঁদের আরও উৎসাহিত করার পাশাপাশি অন্য শিক্ষকদেরও ভালো কাজে অনুপ্রাণিত করবে। মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সংশ্লিষ্ট সবার সম্মিলিতভাবে কাজ করার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তাঁরা।




