পানছড়িতে ওএমএসের চাল-আটা ওজনে কম, অভিযোগ
প্রতি ৫ কেজিতে ঘাটতি ২০০ থেকে ৫০০ গ্রাম

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি:
গরিব মানুষের জন্য সরকারের কম দামের চাল-আটা কিনতে গিয়ে বিপাকে পড়েছেন খাগড়াছড়ির পানছড়ির ক্রেতারা। ওএমএসের (খোলাবাজারে বিক্রি) চাল ও আটা নির্ধারিত ওজনের চেয়ে কম দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে মেসার্স জামান এন্টারপ্রাইজের বিরুদ্ধে। প্রতি ৫ কেজিতে ২০০ থেকে ৫০০ গ্রাম পর্যন্ত কম দেওয়ার অভিযোগ করেছেন ক্রেতারা।
সোমবার (১৭ আগস্ট) সকালে পানছড়িতে ওএমএসের চাল ও আটা বিতরণের সময় সরেজমিনে এ অভিযোগের সত্যতা দেখা যায়।
আবুল কালাম, সুলতান আহমেদ , মনির সহ কয়েকজন ক্রেতা বলেন, ‘আমরা গরিব মানুষ। সরকার কম দামে চাল-আটার ব্যবস্থা করেছে। কিন্তু এখানে এসে দেখি ৫ কেজির পরিবর্তে ২০০ থেকে ৫০০ গ্রাম পর্যন্ত কম দেওয়া হচ্ছে। অভিযোগ করলে বলা হয়, গুদাম থেকেই কম আসে।’
তাদের অভিযোগ, এভাবে পণ্য কম দেওয়া হলে কম আয়ের মানুষের ওপর বাড়তি চাপ পড়ে। বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তারা।
অভিযোগের বিষয়ে মেসার্স জামান এন্টারপ্রাইজের মালিক নুরুজ্জামান বলেন, খাদ্যগুদাম থেকে প্রতি বস্তায় এক থেকে তিন কেজি পর্যন্ত কম দেওয়া হয়। এ কারণে তিনিও গ্রাহকদের কম দিতে বাধ্য হচ্ছেন।
তবে উপজেলা ওসি-এলএসডি (ভারপ্রাপ্ত) মো. গোলাম মোস্তফা বলেন, কয়েকটি পুরোনো চালের বস্তায় ২০০ থেকে ৫০০ গ্রাম কম থাকতে পারে।তবে সকল বস্তায় চাল কম থাকার কোনো সুযোগ নেই।’
সরকারি এ কর্মসূচির চাল-আটা নির্ধারিত ওজনে বিতরণ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারি ও কার্যকর ব্যবস্থা চান ভুক্তভোগী ক্রেতারা।




