খাগড়াছড়িপার্বত্য অঞ্চল

পানছড়িতে লোকাল রেজিলিয়েন্স প্ল্যান নিয়ে উপজেলা পর্যায়ের কর্মশালা

স্টাফ রিপোর্টার, খাগড়াছড়ি :
জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর অভিযোজন সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে খাগড়াছড়ির পানছড়িতে উপজেলা পর্যায়ের স্থানীয় জলবায়ু সহিষ্ণুতা পরিকল্পনা (লোকাল রেজিলিয়েন্স প্ল্যান) বিষয়ক অ্যাডভোকেসি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

 

বুধবার (২৪ জুন) উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে Community Resilience through Locally-led Inclusive Adaptation in CHT (CoRLIA) প্রকল্পের উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন প্রকল্পের পানছড়ি উপজেলার ইউনিয়ন ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্স ফ্যাসিলিটেটর (ইউসিআরএফ) তনয়া চাকমা।

 

 

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পানছড়ি উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) কবির আহাম্মেদ। এছাড়া উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ইব্রাহিম খলিল, সমাজসেবা কর্মকর্তা দ্বীপায়ন চাকমা, উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা পলাশ চন্দ্র পাল, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা প্রিয় কান্তি চাকমা, CoRLIA প্রকল্পের জেলা কর্মকর্তা নবলেশ্বর চাকমা, ইউপি চেয়ারম্যান উচিত মনি চাকমা, জয়কুমার চাকমা, আনন্দ জয় চাকমা, ভুমিধর রোয়াজা,পানছড়ি রিপের্টার্স ইউনিটির সভাপতি মোহাম্মদ রাশেদুজ্জামান অলি, খাগড়াছড়ি সদর উপজেলার ইউসিআরএফ উসাংপ্রু মারমা, দীঘিনালা উপজেলার ইউসিআরএফ রাসেল ত্রিপুরা সহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি এবং কমিউনিটি প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

 

 

কর্মশালায় বক্তারা বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম ও জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে CoRLIA প্রকল্পের কার্যক্রম ইতোমধ্যে দৃশ্যমান ইতিবাচক পরিবর্তন এনেছে। বিশেষ করে প্রকল্পের আওতায় সৌরশক্তিচালিত নিরাপদ পানি সরবরাহ ব্যবস্থা স্থাপনের ফলে দীর্ঘদিনের পানির সংকট অনেকাংশে দূর হয়েছে। একই সঙ্গে নারীদের দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ ও আয়বর্ধক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করতে আর্থিক সহায়তা প্রদান তাদের অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

 

 

বক্তারা আরও বলেন, স্থানীয় জনগণের প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণে প্রণীত লোকাল রেজিলিয়েন্স প্ল্যান ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা প্রশাসন এবং বিভিন্ন সরকারি বিভাগের উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়নে সহায়ক হবে। এর মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সৃষ্ট চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাস্তবভিত্তিক, অংশগ্রহণমূলক ও টেকসই উদ্যোগ গ্রহণ করা সহজ হবে।

 

 

আলোচনা শেষে অংশগ্রহণকারীরা আশা প্রকাশ করেন, প্রকল্পের আওতার বাইরে থাকা পিছিয়ে পড়া এলাকাগুলোতেও সরকারি-বেসরকারি সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে জলবায়ু সহিষ্ণু উন্নয়ন কার্যক্রম সম্প্রসারিত হবে। একইসঙ্গে স্থানীয় পর্যায়ে পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সরকারি দপ্তর, জনপ্রতিনিধি ও জনগণের মধ্যে সমন্বয় জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

Related Articles

Back to top button