Breakingখাগড়াছড়িপার্বত্য অঞ্চলসারাদেশ

৯ম পে-স্কেলের দাবিতে রবিবার ৩ ঘণ্টা কর্মবিরতি

খাগড়াছড়িতে সরকারি কর্মচারীদের গর্জন

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি :
দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতির বাজারে ৯ম পে-স্কেল ঘোষণা ও গেজেট প্রকাশের দাবিতে উত্তাল হয়ে উঠেছে খাগড়াছড়ি।

 

 

২৯ জানুয়ারি ২০২৬, বৃহস্পতিবার বিকেলে খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বরে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশের মাধ্যমে নিজেদের দাবি তুলে ধরেন সরকারি কর্মচারীরা।

 

 

‘বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ’ খাগড়াছড়ি জেলা শাখার ব্যানারে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে শত শত কর্মচারী অংশ নেন।

 

 

সমাবেশ থেকে আগামী রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত টানা তিন ঘণ্টার কর্মবিরতি পালনের ডাক দেওয়া হয়েছে।

 

এদিন বিকেল ৩টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিলটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় একই স্থানে এসে সমাবেশে মিলিত হয়। এসময় ‘এক দফা এক দাবি, পে-স্কেল চাই’, ‘আশ্বাস নয় গেজেট চাই’—এমন সব স্লোগানে উত্তাল হয়ে ওঠে চারপাশ।

 

সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে মন্টু তালুকদার বলেন, “বাজারের যে অবস্থা, তাতে বর্তমান বেতনে সংসার চালানো অসম্ভব। সরকার আমাদের বার বার আশ্বাস দিলেও ৯ম পে-স্কেলের গেজেট এখনও প্রকাশ করেনি। এখন আর ঘরে বসে থাকার সময় নেই।”

 

সংগঠনের সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. আমজাদ হোসেন বলেন, “আমরা প্রজাতন্ত্রের চাকা সচল রাখি, অথচ আমাদের পিঠ আজ দেয়ালে ঠেকে গেছে। গেজেট না হওয়া পর্যন্ত রাজপথ আমাদের ঠিকানা।”

 

উপদেষ্টা অংগজা মারমা এবং মৎস্য অধিদপ্তরের ইনস্ট্রাক্টর জিল্লুর রহমান তাদের বক্তব্যে মাঠ পর্যায়ের সকল সরকারি দপ্তরকে রবিবারের কর্মবিরতি সফল করার আহ্বান জানান। তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, রবিবারের কর্মসূচির পর দাবি আদায় না হলে আরও কঠোর ও দীর্ঘমেয়াদী আন্দোলন শুরু হবে।

 

সমাবেশ শেষে বক্তারা জানান, রবিবারের কর্মবিরতি চলাকালীন সকল দাপ্তরিক কাজ বন্ধ থাকবে। কর্মচারীরা নিজ নিজ দপ্তরের সামনে অবস্থান নিয়ে দাবি আদায়ে সোচ্চার থাকবেন। খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার সকল সরকারি দপ্তরের কর্মচারীদের এই আন্দোলনে সংহতি প্রকাশের অনুরোধ জানানো হয়েছে।

Related Articles

Back to top button