Breakingপার্বত্য অঞ্চলবান্দরবানসারাদেশ

থানচিতে দর্শনীয় স্থান পর্যটকদের ভ্রমণের অনুমতি দাবিতে কর্মবিরতি ও মানববন্ধন

নিজস্ব প্রতিনিধি,থানচি,বান্দরবান:
বান্দরবানের থানচি উপজেলার নাফাখুম সহ সকল দর্শনীয় স্থান পর্যটকদের ভ্রমণের সরকারের অনুমতি পাওয়ার দাবিতে কর্মবিরতি ও মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল কর্মসূচী পালন করেছে পর্যটন সংশ্লিষ্টরা।

 

 

শনিবার ২২ নভেম্বর বিকাল ৩ টা থানচি টুরিস্ট গাইড কল্যাণ সমবায় সমিতি লিমিটেড আয়োজনের উপজেলা চৌরাস্তা মোরে কর্মবিরতি ও মানববন্ধন কর্মসূচী টুরিস্ট গাইড কল্যাণ সমবায় সমিতির আহবায়ক ও এনজিও কর্মী পাইথুইখয় খিয়ান (অন্তর) সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মবিরতি ও মানববন্ধনের বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী থানচি শাখা কমিটি আমীর ও তহজিংডং আবাসিকের মালিক মো: আসলাম হোসেন প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন।

 

 

টুরিষ্ট গাইড ইমন হোসেন সঞ্চালনায় অন্যান্যদের মধ্যে ব্যবসায়ী মো: হোসেন,টুরিষ্ঠ গাইড জওয়াইপ্রু মারমা,সিমিয়ন ত্রিপুরা,আমির আলী, বৌদি আলম ও রেজাউল করিম সহ অনেকে বক্তব্য রাখেন।

 

 

বক্তারা বলেন, সম্প্রতি ঙাফাঁখুমের এক পর্যটকের মৃত্যু নিয়ে আমাদের কোন দোষ নেই। শুধু মাত্র ইভেন গ্রুপরা দায়ী।গত ২০ নভেম্বর বৃহস্পতিবার থেকে অনিদিস্ট কালের জন্য কর্মবিরতি পালন করেছি গত তিন দিনের প্রশাসনের কর্তৃক কোণ প্রকার ব্যবস্থা গ্রহণ করার লক্ষণ দেখা যায়নি।বিগত ২০২২ সালে পাহাড়ে স্বশস্ত্র সন্ত্রাসী সংগঠন কুকিচিংগের তান্ডব ও সোনালী কৃষি ব্যাংকের ডাকাতি কারনে যৌথ বাহিনী অভিযানের মুখে বান্দরবানের থানচি,রুমা,রোয়াংছড়ি উপজেলার সকল পর্যটন কেন্দ্র বা স্পট গুলি নিরাপত্তা জনিত কারনে পর্যটকদের ভ্রমনের উপর নিষেধাজ্ঞা করেন প্রশাসন। কিন্তু গত চার মাস আগে রোয়াংছড়ি, রুমা উপজেলা সব ধরনে পর্যটন কেন্দ্র গুলি নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করেন। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় থানচি উপজেলার সিমিত আকারে তিন্দুমূখ পর্যন্ত শিথিল করে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়।

 

পর্যটকরা ঙাফাঁখুম রেমাক্রীখুম পর্যন্ত ভ্রমন করতে তিন্দুমূখ পর্যন্ত ভ্রমনার্থীদের গাইড প্রয়োজন পড়ে না । তাই গাইড না থাকলে আমাদের আয়ের পথ বন্ধ হয়ে যাওয়া ২শত গাইড মানবেতর জীবন জ্ঞাপন করতে হয়েছে।

 

বক্তারা দাবী করেন থানচি উপজেলা পর্যটন শিল্পের উপর নির্ভরশীল ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী,পান সিগারেটের দোকানের উদ্যোগক্তা, হোটেল, মোটেলের উদ্যোগক্তা, কর্মচারী,চান্দের গাড়ি চালক মালিক,নৌকা চালক মালিক ,মোটর সাইকেল চালক, টুরিষ্ট গাইড সব মিলিয়ের ১৫০০ পরিবারের মধ্যে ৫ হতে ৬ হাজার সদস্য দীর্ঘ বছর ধরে মানবেতর জীবন জ্ঞাপন করেছে। সর্বদা পরিবারের অভাব অনটন রয়ে যাচ্ছে। ছেলে মেয়ে লেখা পড়ার খরচ চালাইতে হিমশিম খাচ্ছে।

 

 

বক্তারা বলেন আমরা কি দোষ করেছি রুমা রোয়াংছড়ি উপজেলা দুইটিতে পর্যটক সংশ্লিষ্ঠরা উন্নত জীবন নিয়ে চলুক আর থানচি উপজেলা পর্যটন সংশ্লিষ্ঠদের মানবেতর জীবন জ্ঞাপন করুক এটি প্রশাসন বা সরকারের চাওয়া হয়। তাহলে আমাদের পথ হবে চুড়ি ডাকাতি ছিনতাইয়ের রাস্তা ছাড়া আর কোন বিকল্প আমাদের নেই । অবিলম্ভে আমাদের দাবী সমুহের উপর বিশেষ বিবেচনা করুন। অন্যথায় থানচি উপজেলা লকডনের কর্মসূচী দিতে বাধ্য হবো।

Related Articles

Back to top button