থানচিতে গণঅভ্যুৃ্ত্থান বছর পুর্তিতে শহীদদের মাগফিরাত কামনা দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

স্টাফ রিপোর্টার ,বান্দরবান :
বান্দরবানের থানচি উপজেলার ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট জুলাই গণঅভ্যুত্থান বছর পুর্তি উদযাপন উপলক্ষ্যে সম্মাননা প্রদান ও আলোচনা সভা সহ শহীদদের মাগফিরাত কামনা মসজিদ,গীর্জা,মন্দির গুলিতে বিশেষ প্রার্থনা, অনাথ ও এতিম খানা দোয়া ইত্যাদি অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনেরর মঙ্গলবার ৫ আগস্ট উপজেলার অডিটরিয়ান হলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইউএনও মোহাম্মদ আবদুল্লাহ – আল- ফয়সাল সভায় সভাপতিত্ব করেন।
সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ ওয়ালিদ হোসেন, স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: মো: ওয়াহিদুজ্জামান মুরাদ,পশু সম্পদ কর্মকর্তা ডা: মো: শরীফুল ইসলাম, কলেজের অধ্যক্ষ ধমিনিক ত্রিপুরা,সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নূর মোহাম্মদ, প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ভারপ্রাপ্ত নিজাম উদ্দিন,থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি নাছির উদ্দিন মজুমদার, প্রমূখ।
বক্তব্য রাখেন নির্বাচন কর্মকর্তা আব্দুল হামিদ,প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ভারপ্রাপ্ত নিজাম উদ্দিন, পল্লী সঞ্চয় ম্যানেজার জমির উদ্দিন, প্রেস ক্লাবের সভাপতি মংবোওয়াংচি মারমা অনুপম,বক্তারা বলেন, জুলাই ৩৬ আমাদের একটি চেতনা। এটি অনিবার্য ছিল। ৭১ এর মুক্তি যুদ্ধের চেতনা জুলাই ৩৬ এর প্রেরণা যুগিয়েছে। বিগত সময়ের সকল ভুলগুলো সুধরে সামনে এগিয়ে যাবো এদিনে এটি আমাদের প্রত্যাশা।
ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে স্বৈরাচারী সরকারের পতন ঘটে—এ দিনটি বাংলাদেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের এক যুগান্তকারী অধ্যায় হিসেবে ইতিহাসে চিহ্নিত হয়ে আছে। ছাত্র-জনতার সম্মিলিত প্রতিরোধ ও আত্মত্যাগের ফলে এ দিন ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটে এবং দেশে একটি নতুন গণতান্ত্রিক সম্ভাবনার সূচনা হয়।
বক্তারা আর ও বলেন,এই অভ্যুত্থান ছিল স্বাধীনতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে মানুষের অধিকার ও ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়ানোর সাহসী পদক্ষেপ এবং ৫ আগস্ট শুধু একটি দিন নয়, এটি নিপীড়নের বিরুদ্ধে মানুষের ঐক্য ও সংগ্রামের প্রতীক—যা আগামীতেও সকল অন্যায়ের বিরুদ্ধে অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।
আলোচনা সভায় বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, রাজনীতিবিদ,সুশিল সমাজের নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিকরাও স্বতস্ফুর্ত অংশ গ্রহন করেন।