খাগড়াছড়িতে শুরু হলো সাপ্তাহিক পরিচ্ছন্নতা অভিযান

স্টাফ রিপোর্টার,খাগড়াছড়ি:
চারিপাশে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখি, ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া মুক্ত থাকি” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে খাগড়াছড়িতে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন অভিযান শুরু হয়েছে।
শনিবার (১৪ মার্চ) সকাল সাড়ে ১০টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে বর্ণাঢ্য র্যালি শুরু হয়। র্যালিটি জেলা শহরের প্রধান সড়ক হয়ে ভাঙ্গাব্রিজ মোড় ঘুরে আবার জেলা প্রশাসকের কার্যালয় প্রাঙ্গণে এসে শেষ হয়। র্যালিতে জেলা প্রশাসক মো. আনোয়ার সাদাত, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক সাজিয়া তাহের, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মো. মোস্তফা জাবেদ কায়সার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) রুমানা আক্তার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) হাসান মারুফ, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারিয়া সুলতানা, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নোমান ইবনে হাফিজ, ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. রতন খীসা, সদর হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. অর্ণব চাকমা, সহকারী কমিশনার দিপক কুমার শীল এবং সহকারী কমিশনার মাহমুদ সাকিব সহ আরও অনেকে অংশগ্রহণ করেন।
র্যালির পর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অতিথি বক্তারা বলেন, “পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা আমাদের সুস্থতার মূল চাবিকাঠি। আবর্জনা না ফেলা, মশক নিধন কার্যক্রমে সক্রিয় অংশগ্রহণ ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশ বজায় রাখা প্রত্যেক নাগরিকের দায়িত্ব। স্বাস্থ্যবান সমাজ গঠনে এই অভিযান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। আমরা আশা করি, জনগণ এই কার্যক্রমকে নিয়মিত সমর্থন করবে।
সভায় উপস্থিত অতিথিরা বলেন, “পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার জন্য নিয়মিত সচেতনতা তৈরি করা জরুরি। শুধুমাত্র সরকারি প্রচেষ্টায় নয়, ব্যক্তিগতভাবে সবার সহায়তা প্রয়োজন। এটি আমাদের শিশু, বৃদ্ধ এবং রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতাহীন মানুষের সুস্থতার জন্য অপরিহার্য।
আলোচনা সভার পর শহরের বিভিন্ন অংশে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালিত হয়। প্রশাসন এবং স্বেচ্ছাসেবীরা একযোগে মাঠে নেমে আবর্জনা অপসারণ, পানি জমে থাকা স্থান পরিষ্কার এবং মশক নিধনের কার্যক্রম পরিচালনা করেন। এছাড়াও, সাধারণ জনগণকে সচেতন করতে ছোটখাটো প্রচারাভিযানও চালানো হয়।
জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, এই অভিযান প্রতি সপ্তাহে শনিবার বিশেষভাবে চালিয়ে যাওয়া হবে। আশা করা হচ্ছে, এই কার্যক্রমের মাধ্যমে খাগড়াছড়ি শহরকে সুস্থ, পরিচ্ছন্ন ও মশকবিহীন রাখা সম্ভব হবে।




